1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করলো বিএনপি ১৮ দিনে দ্বিতীয় দফা বাড়লো এলপি গ্যাসের দাম যিশু খ্রিস্টের মূর্তির ওপর হাতুড়ি দিয়ে হামলা সেনা সদস্যের, তোপের মুখে ইসরায়েল টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিনাজপুরের বীরগঞ্জে আদিবাসী নৃ-গোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের বাসাবাড়িতে হামলা অগ্নিসংযোগ, শ্মশানকালী মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর অভিযোগ উঠেছে। ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজছাত্রী উপাসনা ঘোষ নিহত: চালক আকাশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অক্ষয় তৃতীয়ার সম্পর্কে বিশেষ প্রতিবেদন ভারতের হাইকমিশনার হয়ে ঢাকায় আসছেন দিনেশ ত্রিবেদী ভিক্ষুকের কাছে ওষুধের দাম কম রাখায় হিন্দু ব্যবসায়ীর ফার্মেসি বন্ধ।

সন্তান ফিরে পেতে ঢাকায় মার্কিন তরুণের লড়াই

  • প্রকাশিত সময় শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়েছেন

২০১৬ সালের ৩রা জুন। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের একটি বারে বাংলাদেশি তরুণী ফারহানা করিমের সঙ্গে পরিচয় হয় মার্কিন তরুণ গ্যারিসন রবার্ট লুট্রেলের। ভিন্ন সংস্কৃতি, ভিন্ন ধর্ম-সবকিছু ছাপিয়ে গড়ে ওঠে সম্পর্ক। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় রূপ নেয় গভীর প্রেমে। সম্পর্কে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় ধর্ম। ফারহানা করিম মুসলিম, আর লুট্রেল ছিলেন খ্রিষ্টান। তবে শেষ পর্যন্ত ভালোবাসার টানেই ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেন লুট্রেল। ২০১৮ সালের ৩রা আগস্ট মুসলিম শরিয়াহ্ অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। যুক্তরাষ্ট্রেই শুরু করেন সংসার। বিয়ের দুই বছর পর তাদের সংসারে জন্ম নেয় প্রথম সন্তান ফাতমির ওয়াল ইকরাম লুট্রেল। ভালোই চলছিল দাম্পত্য জীবন। কিন্তু হঠাৎ করেই ফাটল ধরে সম্পর্কে। তিক্ততা থেকে বাড়ে দূরত্ব। একপর্যায়ে সন্তান নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন ফারহানা। স্বামী লুট্রেলকে পাঠান তালাকের নোটিস। সন্তানের সঙ্গে বাবার সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেলেন ফারহানা। বন্ধ করে দেন যোগাযোগ। সন্তানকে ফিরে পেতে সুদূর আমেরিকা থেকে ঢাকায় আসেন লুট্রেল। দ্বারস্থ হন আদালতের। সন্তানের জিম্মা চেয়ে পারিবারিক আদালতে মামলা করেন। মামলার শুনানি শেষে সপ্তাহে দু’দিন ছেলের সঙ্গে বাবার সময় কাটানোর সুযোগ দিতে আদেশ দেন বিচারক। কিন্তু আদালতের রায় তোয়াক্কা না করে সন্তানকে নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান ফারহানা। সন্তানের মুখ এক নজর দেখতে গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে ঢাকায় অবস্থান করে আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন লুট্রেল। কিন্তু তারপরও প্রতিকার পাচ্ছেন না।
২০১৬ সালের ৩রা জুন। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের একটি বারে বাংলাদেশি তরুণী ফারহানা করিমের সঙ্গে পরিচয় হয় মার্কিন তরুণ গ্যারিসন রবার্ট লুট্রেলের। ভিন্ন সংস্কৃতি, ভিন্ন ধর্ম-সবকিছু ছাপিয়ে গড়ে ওঠে সম্পর্ক। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় রূপ নেয় গভীর প্রেমে। সম্পর্কে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় ধর্ম। ফারহানা করিম মুসলিম, আর লুট্রেল ছিলেন খ্রিষ্টান। তবে শেষ পর্যন্ত ভালোবাসার টানেই ইসলাম ধর্মগ্রহণ করেন লুট্রেল। ২০১৮ সালের ৩রা আগস্ট মুসলিম শরিয়াহ্ অনুযায়ী তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। যুক্তরাষ্ট্রেই শুরু করেন সংসার। বিয়ের দুই বছর পর তাদের সংসারে জন্ম নেয় প্রথম সন্তান ফাতমির ওয়াল ইকরাম লুট্রেল। ভালোই চলছিল দাম্পত্য জীবন। কিন্তু হঠাৎ করেই ফাটল ধরে সম্পর্কে। তিক্ততা থেকে বাড়ে দূরত্ব। একপর্যায়ে সন্তান নিয়ে বাংলাদেশে চলে আসেন ফারহানা। স্বামী লুট্রেলকে পাঠান তালাকের নোটিস। সন্তানের সঙ্গে বাবার সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেলেন ফারহানা। বন্ধ করে দেন যোগাযোগ। সন্তানকে ফিরে পেতে সুদূর আমেরিকা থেকে ঢাকায় আসেন লুট্রেল। দ্বারস্থ হন আদালতের। সন্তানের জিম্মা চেয়ে পারিবারিক আদালতে মামলা করেন। মামলার শুনানি শেষে সপ্তাহে দু’দিন ছেলের সঙ্গে বাবার সময় কাটানোর সুযোগ দিতে আদেশ দেন বিচারক। কিন্তু আদালতের রায় তোয়াক্কা না করে সন্তানকে নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান ফারহানা। সন্তানের মুখ এক নজর দেখতে গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে ঢাকায় অবস্থান করে আদালতের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন লুট্রেল। কিন্তু তারপরও প্রতিকার পাচ্ছেন না।
আদালত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে দ্রুত ভিকটিমকে উদ্ধার করে আদালতে উপস্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে আদেশের অনুলিপি ঢাকা পুলিশ কমিশনার ও উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গত ৭ই এপ্রিল দুপুরে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে উপস্থিত হন লুট্রেল। লুট্রেলের অভিযোগ, শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে অজ্ঞাতস্থানে আত্মগোপনে রয়েছেন ফারহানা। সন্তানের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছে এবং বিভিন্ন সময় তার কাছে অর্থ দাবি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমি চাই বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী আমার সন্তানের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত হোক এবং তাকে দ্রুত আমার কাছে ফিরিয়ে দেয়া হোক। বিষয়টি নিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা এবং ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host