প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে তাঁর নির্বাচনী এলাকা ঢাকা-১৭ আসনের পাঁচটি মন্দিরে প্রতিটিতে ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা করে মোট ৬ কোটি ৫০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার উদ্যোগ নিঃসন্দেহে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। মহাখালী বিটিসিএল সার্বজনীন দুর্গা মন্দির, শ্রী শ্রী শিবকালী মন্দির, শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণ মন্দির, আইডি হাসপাতাল মন্দিরসহ সংশ্লিষ্ট মন্দিরগুলোর জন্য এই অনুদান প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়, শুধু আর্থিক অনুদানই কি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের বঞ্চনা আর ক্ষতের প্রলেপ দেওয়ার জন্য যথেষ্ট?
বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়সহ সকল ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী আজও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। তাদের জীবনের নিশ্চয়তা, সম্পদের সুরক্ষা এবং সম্মানের অধিকার বারবার প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। চিন্ময় প্রভুর মুক্তির বিষয়টি এখনো অন্ধকারে ঢাকা, যা ন্যায়বিচারের প্রতি এক বড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করছে।
অন্যদিকে, ইউনুস সরকারের আমলে অসংখ্য সনাতন ধর্মাবলম্বীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলাগুলো এখনো নিষ্পত্তির মুখ দেখেনি। অনেক নিরপরাধ মানুষ আজও আইনি জটিলতার বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছেন, যা একটি সভ্য রাষ্ট্রের জন্য লজ্জাজনক।
অতএব, কেবল অনুদান দিয়ে দায়িত্ব শেষ হয় না। বাস্তব নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার এবং সমঅধিকার নিশ্চিত করাই হওয়া উচিত সরকারের প্রথম অগ্রাধিকার।
Leave a Reply