1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
যবিপ্রবির বহিস্কৃত কর্মচারী ও যুবলীগ নেতা বাদল আটক বাঘারপাড়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলের ঘটনায় ছয়জন কারাগারে শার্শায় পুলিশ সদস্যকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বিএনপি নেতাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা মনিরামপুরে নামযজ্ঞ চলাকালে দা দিয়ে কুপিয়ে যুবককে আহতের অভিযোগ হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো শেডে আগুন, আতঙ্কে যাত্রী ও কর্মীরা ভূরুঙ্গামারীতে বাজারে আ গুন, ৯৫ দোকান পু ড়ে ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদের বরিশাল বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত যশোরে প্রভাষকের ওপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি কুমিল্লায় বাড়ছে এইডস সংক্রমণ; পাঁচ মাসে ৭ মৃ’ত্যু, শনাক্ত ৩৭ সিরাজগঞ্জে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বাসের ধাক্কায় প্রাণ গেল দম্পতিসহ ৩ জনের

কুমিল্লায় বাড়ছে এইডস সংক্রমণ; পাঁচ মাসে ৭ মৃ’ত্যু, শনাক্ত ৩৭

  • প্রকাশিত সময় শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬
  • ১৮ বার পড়েছেন

এইচআইভি (হিউম্যান ইমিউনোডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস) বা এইডসে আক্রান্ত হয়ে পাঁচ মাসে কুমিল্লায় ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়াও ৬৭২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩৭ জনের শরীরে এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

শুক্রবার (৫ জুন) কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের এইচআইভি এইডস এইচটিসি/এআরটি সেন্টারের কাউন্সিলর কাম অ্যাডমিন মো. আরিফ হাসান এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কুমেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে গেছে, বর্তমানে কুমিল্লা জেলার ৩৮৫ জন এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তি নিয়মিত চিকিৎসা নিচ্ছেন। আর কুমেক এআরটি সেন্টারে মোট চিকিৎসা গ্রহণকারীর সংখ্যা ৬১৫ জন। ২০১৯ সাল থেকে চলতি বছরের মে মাস পর্যন্ত ৬ হাজার ৬৪৬টি পরীক্ষায় ২৭৮ জন শনাক্ত হয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ৪৬ জন।

অ্যাডমিন মো. আরিফ হাসান জানান, সর্বশেষ ২৫ মে ২১ বছর বয়সী এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এর আগে ১৩ মে ৪৯ বছর বয়সী একজন এবং ৮ মে ৩৫ বছর বয়সী আরেকজন পুরুষ মারা যান। মৃত তিনজনই কুমিল্লা জেলার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে ২১ বছর বয়সী ওই যুবক ২০২১ সালেও এইচআইভি আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছিলেন। চলতি বছরে জানুয়ারিতে দুজন, মার্চে একজন, এপ্রিলে একজন এবং মে মাসে তিনজন মারা গেছেন।

কুমেক এআরটি সেন্টারের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত কয়েক বছরে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। ২০১৯ সালে ২২৬টি পরীক্ষায় ১৫ জন শনাক্ত হলেও ২০২৫ সালে ১ হাজার ৪৪২টি পরীক্ষায় ৭২ জন শনাক্ত হন। আর চলতি বছরের পাঁচ মাসেই ৩৭ জন শনাক্ত হয়েছেন। 

স্বাস্থ্যসংশ্লিষ্টরা বলছেন, বছরের বাকি সময়েও একই ধারা অব্যাহত থাকলে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। চলতি বছর শনাক্ত হওয়া ৩৭ জনের মধ্যে ৫ জন পুরুষ যৌনকর্মী, ১৮ জন পুরুষ-পুরুষ যৌনসম্পর্কের মাধ্যমে সংক্রমিত, ৩ জন বিবাহিত সঙ্গীর মাধ্যমে আক্রান্ত এবং ২ জন বিদেশে অবস্থানকালে সংক্রমিত হয়েছেন। এছাড়া ৪ জন একই সঙ্গে যক্ষ্মা ও এইচআইভিতে আক্রান্ত।

২০১৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত শনাক্ত ব্যক্তিদের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ পাওয়া গেছে পুরুষ-পুরুষ যৌনসম্পর্ক সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। এ সংখ্যা ৯১। এ ছাড়া ৪০ জন পুরুষ যৌনকর্মী, ৪৯ জন প্রবাসফেরত ব্যক্তি, ৪১ জন সংক্রমিত জীবনসঙ্গীর মাধ্যমে আক্রান্ত হয়েছেন। নারী যৌনকর্মীর মাধ্যমে সংক্রমিত হয়েছেন ২১ জন। সাধারণ জনগণের মধ্যেও ৩২ জন শনাক্ত হয়েছেন।

এআরটি সেন্টারের কাউন্সিলর মো. আরিফ হাসান বলেন, সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো সংক্রমণের ধরন পরিবর্তন। আগে রক্ত আদান-প্রদান বা অন্যান্য মাধ্যমে সংক্রমণ বেশি দেখা গেলেও বর্তমানে অধিকাংশ নতুন সংক্রমণ যৌনবাহিত। সামাজিক সংকোচ, সচেতনতার অভাব এবং গোপনীয়তার কারণে অনেকে সময়মতো পরীক্ষা করাতে আসেন না। ফলে দেরিতে রোগ শনাক্ত হয়। 

তিনি বলেন, সরকারিভাবে আক্রান্তদের বিনামূল্যে পরীক্ষা ও ওষুধ সরবরাহ করা হয়। নিয়মিত চিকিৎসা গ্রহণ করলে আক্রান্ত ব্যক্তি স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host