1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
‘ব্যাড টাচ’ অভিযোগে শিক্ষক জেলে; প্রাইভেট পড়ানো কেন্দ্রিক বিরোধের অভিযোগ পরিবারের চিতলমারীতে ব্যবসায়ীর ওপর সশস্ত্র হামলা, নগদ টাকা ও মোবাইল লুটের অভিযোগ সাতক্ষীরা সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশি গুলিবিদ্ধ স্বামীর লাশ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় অ্যাম্বুলেন্সে থাকা স্ত্রীরও করুণ মৃত্যু প্রতিষ্ঠার ১০৫ বছরে পদার্পণ করবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপনের ঘোষণা মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ুয়া এক স্কুলছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি ও লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে যশোরে এনসিপির মোমবাতি মিছিল ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য বার্ষিক ১ হাজার টাকা ভ্যাটের প্রস্তাব, চিঠি এনবিআরের খান জাহান আলী মাজারের দীঘি থেকে শিশুকে টেনে নিল কুমির ভাঙ্গায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: যশোরের একই পরিবারের ৪ জনসহ নিহত ৫

অর্থ আত্মসাতের মামলায় কারাগারে চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা

  • প্রকাশিত সময় শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩৩ বার পড়েছেন

সনাতনী নিউজ আর্ন্তজার্তিক ডেস্ক
চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে ১৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানায় করা মামলায় চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়কে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গত ১৮ এপ্রিল তাকে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়। তবে বিষয়টি শনিবার (২৫ এপ্রিল) জানাজানি হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ এপ্রিল এ মামলায় ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে ওই দিনই ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানায় একটি প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলা দায়ের করেন। এরপর তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। পরে আদালত এ আদেশ দেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে ভুক্তভোগী ও তার বন্ধু মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন পশ্চিম মাটিকাটার বাসায় এসে দেবু প্রসাদ রায় নগদ ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ধার হিসেবে গ্রহণ করেন। পরে একই ব্যবসার কথা বলে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের মাধ্যমে আরও ৫০ লাখ এবং ২০২৪ সালের ১৫ মে ১০০ টাকার তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প সম্পাদনের মাধ্যমে নগদ ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন।

এছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিকাশ, নগদ ও রকেটের একাধিক নম্বরে মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পাঠানো হয়। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ বিকেল ৩টার দিকে অভিযুক্তের অনুরোধে আরও ১০ হাজার ২০০ টাকা বিকাশে পাঠান তিনি। ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘদিন পার হলেও অভিযুক্ত কোনো টাকা ফেরত দেননি। টাকা চাইলে নানা ধরনের তালবাহানা করেন এবং পরে হুমকি দিতে থাকেন। এতে তার সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

—এজেড

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host