1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করলো বিএনপি ১৮ দিনে দ্বিতীয় দফা বাড়লো এলপি গ্যাসের দাম যিশু খ্রিস্টের মূর্তির ওপর হাতুড়ি দিয়ে হামলা সেনা সদস্যের, তোপের মুখে ইসরায়েল টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিনাজপুরের বীরগঞ্জে আদিবাসী নৃ-গোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের বাসাবাড়িতে হামলা অগ্নিসংযোগ, শ্মশানকালী মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর অভিযোগ উঠেছে। ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজছাত্রী উপাসনা ঘোষ নিহত: চালক আকাশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অক্ষয় তৃতীয়ার সম্পর্কে বিশেষ প্রতিবেদন ভারতের হাইকমিশনার হয়ে ঢাকায় আসছেন দিনেশ ত্রিবেদী ভিক্ষুকের কাছে ওষুধের দাম কম রাখায় হিন্দু ব্যবসায়ীর ফার্মেসি বন্ধ।

বান্দরবানে সাঙ্গু নদীতে ফুল ভাসিয়ে বিজু-বিষু বরণ

  • প্রকাশিত সময় রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়েছেন

বান্দরবানে সাঙ্গু নদীতে ফুল ভাসিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্যতম বৃহৎ সামাজিক উৎসব বিজু ও বিষু বরণ করে নিয়েছেন চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের মানুষ। বিশেষ করে নারীরা নিজেদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরিধান করে এ আয়োজনে অংশ নেন।

রোববার (১২ এপ্রিল) সকালে বালাঘাটা ঘাট এলাকায় সাঙ্গু নদীর তীরে হাজারো চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের মানুষের মুখর উপস্থিতিতে উৎসবটি উদযাপিত হয়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভোর থেকেই ফুল সংগ্রহ করে কলাপাতায় সাজিয়ে নদীতীরে জড়ো হন তারা। পরে নদীতে ফুল ভাসিয়ে ও মোমবাতি জ্বালিয়ে অতীতের ভুলভ্রান্তির জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং নতুন বছরের সুখ-শান্তি কামনা করেন।

উৎসব সংশ্লিষ্টরা জানান, ১২ এপ্রিল নদীতে পূজা ও ফুল নিবেদনের মাধ্যমে বিজু উৎসবের সূচনা হয়। ১৩ এপ্রিল পালিত হয় মূল বিজু, এদিন ঘরে ঘরে নানা ধরনের খাবারের আয়োজন করা হয়। আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের নিমন্ত্রণ ছাড়াই একে অপরের বাড়িতে যাওয়ার রীতি থাকলেও আধুনিক সময়ে আনুষ্ঠানিক দাওয়াতের প্রচলনও বেড়েছে।

১৪ এপ্রিল তরুণ-তরুণীরা গুরুজনদের গোসল করিয়ে তাদের আশীর্বাদ গ্রহণ করেন। একই দিনে ভিক্ষু-সংঘকে ‘ফাং’ (নিমন্ত্রণ) জানিয়ে ঘরের মঙ্গল কামনায় মঙ্গল সূত্র পাঠ শোনা হয়। চাকমা সম্প্রদায়ের খাবারের প্রধান আকর্ষণ ‘পাচন’ যা শতাধিক প্রকার সবজি, মাছ ও শুঁটকি দিয়ে তৈরি একটি বিশেষ তরকারি।

চাকমা সম্প্রদায়ের মনিকা চাকমা বলেন, প্রতি বছরের মতো মা গঙ্গাদেবীর কাছে অতীতের ভুল-ভ্রান্তির জন্য ক্ষমা চেয়ে নতুন বছরের মঙ্গল কামনায় ফুল বিজু পালন করা হয়।

সুমিতা চাকমা জানান, ভোর থেকে ফুল সংগ্রহ করে নদীতে এসে জলবুদ্ধ ও মা গঙ্গাদেবীর পূজার উদ্দেশ্যে সবাই একত্রিত হন। অতীতের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে শান্তিময় জীবনের প্রার্থনা করা হয়।

পূজারি সেমল তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, যুগ যুগ ধরে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের মানুষ সাঙ্গু নদীতে ফুল বিজু ও ফুল বিষু পালন করে আসছে। আজকে মা গঙ্গাদেবীর কাছে প্রার্থনা করবো সারাবিশ্বের হানাহানি বন্ধ হয়ে সবাই যেন শান্তিতে বসবাস করতে পারে।
বান্দরবান জেলা পুলিশ সুপার মো. আবদুর রহমান জানান, বাংলা নববর্ষ ও পাহাড়িদের উৎসবকে ঘিরে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী এ উৎসবের সূচনা হয় জলবুদ্ধ ও মা গঙ্গাকে ফুল নিবেদনের মধ্য দিয়ে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host