1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
সংরক্ষিত নারী আসনের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করলো বিএনপি ১৮ দিনে দ্বিতীয় দফা বাড়লো এলপি গ্যাসের দাম যিশু খ্রিস্টের মূর্তির ওপর হাতুড়ি দিয়ে হামলা সেনা সদস্যের, তোপের মুখে ইসরায়েল টাঙ্গাইলে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দিনাজপুরের বীরগঞ্জে আদিবাসী নৃ-গোষ্ঠীর সম্প্রদায়ের বাসাবাড়িতে হামলা অগ্নিসংযোগ, শ্মশানকালী মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর অভিযোগ উঠেছে। ফরিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় কলেজছাত্রী উপাসনা ঘোষ নিহত: চালক আকাশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অক্ষয় তৃতীয়ার সম্পর্কে বিশেষ প্রতিবেদন ভারতের হাইকমিশনার হয়ে ঢাকায় আসছেন দিনেশ ত্রিবেদী ভিক্ষুকের কাছে ওষুধের দাম কম রাখায় হিন্দু ব্যবসায়ীর ফার্মেসি বন্ধ।

বৈসাবি উৎসব ঘিরে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভিন্ন চিত্র

  • প্রকাশিত সময় শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়েছেন

বছরের সবচেয়ে বড় উৎসব বৈসাবি ঘিরে পার্বত্য অঞ্চলে যখন আনন্দের আমেজ, তখন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভিন্ন চিত্র। বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি না থাকায় তারা পরিবারের সঙ্গে উৎসব উদযাপনের সুযোগ পাচ্ছেন না। প্রতিবছরের মতো এবারও অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থী এ বঞ্চনার মুখে পড়েছেন।বিভিন্ন ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর মানুষ এ দেশে বসবাস করেন। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীগুলোর নিজস্ব ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব রয়েছে। এসব উৎসব তাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি না থাকায় অনেক শিক্ষার্থী বাড়ি যেতে পারেন না। শাবিপ্রবিতে এ সমস্যা দীর্ঘদিনের।

সাবি পার্বত্য অঞ্চলের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ উৎসব। ত্রিপুরারা একে বৈসু, মারমারা সাংগ্রাই এবং চাকমারা বিজু নামে উদযাপন করেন। তঞ্চঙ্গ্যাদের কাছে এটি বিসু, ম্রোদের (মুরং) কাছে চাংক্রান ও অন্যান্য জনগোষ্ঠীদের সাংগ্রাই বা রংপানি নামেও পরিচিত। প্রতিবছর চৈত্রসংক্রান্তির দুই দিন ও পহেলা বৈশাখ মিলিয়ে ১২, ১৩ ও ১৪ এপ্রিল এ উৎসব পালিত হয়।

এ দিনগুলোতে পাহাড়ের বসবাসরত ১৩টি জাতিগোষ্ঠীর মানুষ পুরোনো বছরের দুঃখ-কষ্ট ভুলে নতুন বছরে সুখ ও সমৃদ্ধি কামনায় প্রার্থনা করেন। পাহাড়ের জাতিগোষ্ঠীর স্ব-স্ব সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরা হয় বিভিন্ন উৎসবের মধ্য দিয়ে। এটি পারস্পরিক সহাবস্থান ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যেরও প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে এ সময় নিয়মিত ক্লাস ও পরীক্ষা থাকায় শিক্ষার্থীরা বাড়ি যেতে পারেন না। প্রশাসনের কাছে দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিজেনাস স্টুডেন্টস, সাস্ট’ এ বিষয়ে দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটির সিনিয়র সহসভাপতি অমিতাভ ভূষণ ত্রিপুরা অমিত বলেন, ‘বৈসাবি উৎসবে আমাদের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব। এ সময় আমরা পরিবার ও সমাজের মানুষের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাাগ করি এবং আগামীর জন্য সুখ ও সমৃদ্ধি কামনা করি। তাই এই দিনগুলোতে ১২ থেকে ১৪ এপ্রিল ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ রাখার দাবি জানাই।’

সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মংহ্লা মং বলেন, ‘দেশের সব নাগরিকের তার নিজস্ব সংস্কৃতি, উৎসব পালনে অধিকার রয়েছে। শাবিপ্রবিতে পার্বত্য অঞ্চল থেকে আসা অনেক শিক্ষার্থী রয়েছেন। ক্লাস, পরীক্ষা ও দূরত্বের কারণে তারা উৎসবে অংশ নিতে পারেন না। তাই এসব দিনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার দাবি জানান তিনি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সাজেদুল করিম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ছুটি নির্ধারণ একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় হয়। এর জন্য একটা ছুটি কমিটি হয়, তারপর সেই কমিটি ছুটি প্রস্তাব করে এবং সর্বশেষে এটা একাডেমিক কাউন্সিলে পাস হয়। আমার জানা নেই শিক্ষার্থীরা আবেদন করেছে কি না। আবেদন করলে বিষয়টি নিয়ম অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে।’

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host