1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে নেমে রাজমিস্ত্রির মৃত্যু, সহযোগী হাসপাতালে সৌরবিদ্যুতে চলছে ২ হাজার শিক্ষার্থীর স্কুল, বিল ৩০ হাজার থেকে নেমে ৫ হাজারে সঞ্চয়পত্রে ভোগান্তি কমাতে আজ থেকে নতুন ব্যবস্থা ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টে ককটেল বিস্ফোরণ পাকা মাঠে মাটি ভরাট! বাউফলে ৩১৮ প্রকল্পের প্রায় চার কোটি টাকা লুটপাট ডিআইজিসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তাকে অব্যাহতি, পুনঃতদন্তের নির্দেশ মারা গেলেন নির্মাতা মারুফ হোসেন সজীব হাসপাতালে অগ্নিকান্ড, হুড়োহুড়িতে পদদলিত হয়ে নিহত শাহজাহানের বাড়িতে শোকের মাতম বাহুবলে মাদক সেবন ও হট্টগোলের দায়ে ইছব আলীর ৭ মাসের কারাদণ্ড

পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর গর্ভপাত করানোর অভিযোগ

  • প্রকাশিত সময় রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়েছেন

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণের পর গর্ভপাত করানোর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানিয়ে ওই নারী রংপুর জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। প্রাথমিক সত্যতার ভিত্তিতে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে রংপুর পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই নারী আদালতে একটি মামলা করেছিলেন। আদালত তদন্তের জন্য মিঠাপুকুর থানায় পাঠান। মামলার নথিতে থাকা ওই নারীর ফোন নম্বর সংগ্রহ করেন মিঠাপুকুর থানার কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম। শহিদুল ওই নারীকে বিভিন্ন সময় ফোনে উত্ত্যক্ত করতেন। এক পর্যায়ে বিয়ের শর্তে দুজনের মধ্যে যোগাযোগ নিবিড় হয়।

বিয়ের কথা বলে শহিদুল ওই নারীকে গাইবান্ধায় নিয়ে যান। একটি ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন। ওই নারী শহিদুলকে স্বামী হিসেবে মেনে নেন। থানার ঝাড়ুদার শেখ সাদীর বাসাসহ বিভিন্ন স্থানে ওই নারীকে নিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন শহিদুল।

ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি বুঝতে পেরে শহিদুল মাথা ঘোরা ও বমি বন্ধের কথা বলে তাকে গর্ভপাতের ওষুধ খাইয়ে দেন। কয়েক দিনের মধ্যে ওই নারীর গর্ভপাত হয়। হঠাৎ শহিদুল ফোন বন্ধ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। থানায় খোঁজ নিয়ে ওই নারী জানতে পারেন–শহিদুলকে মিঠাপুকুর থানা থেকে বদলি করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আপনারা তো আমাকে ভাইরাল করে দিলেন। এ বিষয়ে ফোনে কোনো বক্তব্য দিতে পারব না। পরে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এ বিষয়ে রংপুর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে রংপুর পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host