1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
টানা ৫ দিন বজ্রসহ বৃষ্টি ও ভারী বর্ষণ হতে পারে যেসব অঞ্চলে যবিপ্রবির বহিস্কৃত কর্মচারী ও যুবলীগ নেতা বাদল আটক বাঘারপাড়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলের ঘটনায় ছয়জন কারাগারে শার্শায় পুলিশ সদস্যকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বিএনপি নেতাসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা মনিরামপুরে নামযজ্ঞ চলাকালে দা দিয়ে কুপিয়ে যুবককে আহতের অভিযোগ হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো শেডে আগুন, আতঙ্কে যাত্রী ও কর্মীরা ভূরুঙ্গামারীতে বাজারে আ গুন, ৯৫ দোকান পু ড়ে ১৫ কোটি টাকার ক্ষতি বাংলাদেশ যুব ঐক্য পরিষদের বরিশাল বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত যশোরে প্রভাষকের ওপর হামলার অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি কুমিল্লায় বাড়ছে এইডস সংক্রমণ; পাঁচ মাসে ৭ মৃ’ত্যু, শনাক্ত ৩৭

পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ধর্ষণের পর গর্ভপাত করানোর অভিযোগ

  • প্রকাশিত সময় রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬
  • ১৯ বার পড়েছেন

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলায় পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে এক নারীকে ধর্ষণের পর গর্ভপাত করানোর অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানিয়ে ওই নারী রংপুর জেলা পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। প্রাথমিক সত্যতার ভিত্তিতে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে রংপুর পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ওই নারী আদালতে একটি মামলা করেছিলেন। আদালত তদন্তের জন্য মিঠাপুকুর থানায় পাঠান। মামলার নথিতে থাকা ওই নারীর ফোন নম্বর সংগ্রহ করেন মিঠাপুকুর থানার কনস্টেবল মো. শহিদুল ইসলাম। শহিদুল ওই নারীকে বিভিন্ন সময় ফোনে উত্ত্যক্ত করতেন। এক পর্যায়ে বিয়ের শর্তে দুজনের মধ্যে যোগাযোগ নিবিড় হয়।

বিয়ের কথা বলে শহিদুল ওই নারীকে গাইবান্ধায় নিয়ে যান। একটি ভুয়া কাবিননামা তৈরি করে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে বলে আশ্বস্ত করেন। ওই নারী শহিদুলকে স্বামী হিসেবে মেনে নেন। থানার ঝাড়ুদার শেখ সাদীর বাসাসহ বিভিন্ন স্থানে ওই নারীকে নিয়ে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন শহিদুল।

ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে বিষয়টি বুঝতে পেরে শহিদুল মাথা ঘোরা ও বমি বন্ধের কথা বলে তাকে গর্ভপাতের ওষুধ খাইয়ে দেন। কয়েক দিনের মধ্যে ওই নারীর গর্ভপাত হয়। হঠাৎ শহিদুল ফোন বন্ধ করে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। থানায় খোঁজ নিয়ে ওই নারী জানতে পারেন–শহিদুলকে মিঠাপুকুর থানা থেকে বদলি করা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ সদস্য মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, আপনারা তো আমাকে ভাইরাল করে দিলেন। এ বিষয়ে ফোনে কোনো বক্তব্য দিতে পারব না। পরে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

এ বিষয়ে রংপুর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেন, বিভাগীয় তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যকে থানা থেকে প্রত্যাহার করে রংপুর পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host