1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩২ অপরাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, প্রতিবাদী বিএনপি নেতার হাত-পা ভাঙার অভিযোগ ঢাবির সূর্য সেন হলকে জিন্নাহর নামে ফেরানোর দাবি নবাব সলিমুল্লাহ একাডেমির জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ৯ কারাগারে বাবা, মায়ের মৃত্যু: চার সন্তানের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে রুমিন ফারহানার চিঠি সাতক্ষীরায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া গাছের চারা খেয়ে ফেলেছে গরু, কৃষককে পিটিয়ে হত্যা করলেন প্রতিবেশী সাংবাদিক নেতার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, অবশেষে ডিবির ওসি রাশেদুল প্রত্যাহার গোপালগঞ্জে নিখোঁজ বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার, স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ সরিয়ে দেওয়া হলো নেত্রকোণা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ড. আনিছা পারভীনকে

কীভাবে আঘাত পেলেন পার্থ দাস?

  • প্রকাশিত সময় রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৪ বার পড়েছেন

রংপুরের মাছুয়াপাড়ায় চার খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বড় ভাই পার্থ দাসকে শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। কয়েক ঘণ্টা পর সেখান থেকে বের হওয়ার সময় তাকে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায়। প্রশ্ন ওঠে কীভাবে পায়ে আঘাত পেলেন পার্থ?

এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন পার্থ নিজেই। তিনি বলেন, ডিবি কার্যালয়ে তাকে কোনো শারীরিক আঘাত করা হয়নি; বরং পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে আসার সময় ধরা না দেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে তার পায়ে আঘাত লাগে।

পুলিশের ভাষ্যও কাছাকাছি; তাদের দাবি- বাড়িতে পার্থ দাস দৌড়াদৌড়ি ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করার সময় খাটের কোনায় আঘাত পান; তাকে মারধর করা হয়নি।

রংপুর নগরের মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই আলোচনায় রয়েছেন পরিবারের সদস্য পার্থ দাস।

এ ঘটনায় তার ছোট ভাই সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাসকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

শনিবার রাতে ডিবি কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পর গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে পার্থ দাস বলেন, ‘ডিবি অফিসে আমাকে কোনো শারীরিক আঘাত করা হয়নি। যখন ধরে নিয়ে আসে তখন আমি বিভিন্নভাবে ধরা না দেওয়ার চেষ্টা করি। এ সময় আমার পায়ে আঘাত লাগে। এ কারণে আমি খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটি। আমাকে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। কোনো ধরনের টর্চার করা হয়নি।’

অন্য একটি গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে কিছু হয়নি, সুন্দর ব্যবহার করেছে। আমি বাড়িতে ভয়ে ছোটাছুটি করেছি, সে কারণে পায়ে কোমরে আঘাত লেগেছে। এ জন্য খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছি।’

ডিবি কার্যালয়ে তাদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

পার্থ দাসের বক্তব্য অনুযায়ী, ডিবি কার্যালয়ের ভেতরে তাকে মারধর করা হয়নি; আঘাতটি লাগে তাকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসার সময়।

পুলিশও পার্থ দাসকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় কোনো মারধরের কথা অস্বীকার করেছে। প্রশাসনের দাবি, তাকে বাড়ি থেকে নিয়ে আসার সময় তিনি ধরা না দিতে দৌড়াদৌড়ি করেন এবং পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় খাটের কোনায় আঘাত পেয়ে তার পায়ে চোট লাগে। তাকে মারধর করা হয়নি।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ডিবি কার্যালয়ে আনার সময় পার্থ দাসকে পুলিশ সদস্যরা চ্যাংদোলা করে নিয়ে আসে। ডিবি কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় পার্থকে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা গেলেও সেটিকে পুলিশের মারধরের ফল হিসেবে দেখছে না পুলিশ।

রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (গোয়েন্দা) সনাতন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, পার্থ দাস ও তার বাবা বিনয় দাসকে মামলার তদন্তের প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের আগে একাধিকবার ফোন ও গোয়েন্দা সদস্যদের মাধ্যমে ডাকা হলেও তারা ডিবি কার্যালয়ে আসেননি বলে জানান তিনি। পরে পুলিশ তাদের নিয়ে আসে।

এর আগে শনিবার বিকালে পার্থ দাস ও তার বাবা বিনয় দাসকে মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ি থেকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। নগরীর সেন্ট্রাল রোডের ডিবি কার্যালয়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা থাকার পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে তারা বেরিয়ে আসেন। পরে পুলিশ জানায়, তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host