1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:০৫ অপরাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানের সুযোগ এসেছে: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩১০ বোতল ভারতীয় উইনিক্স সিরাপ উদ্ধার যশোরে কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ১ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, আহত ১০ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করে পদ হারানো এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’: ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সমলিঙ্গের বিয়ের ঘটনায় শাস্তির দাবি ‘আমি যদি না থাকি, কবরের কাছে একটু যাইও’— ভিডিওবার্তা রেখে গৃহবধূর ‘আত্মহত্যা’ যশোরে সরকারকে উৎখাত ও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে তিনজন আটক তাবিজের নামে প্রতারণা; তান্ত্রিক অন্তরের ভাড়া বাসায় চাঞ্চল্যকর আলামত

যবিপ্রবিতে হিন্দু ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, প্রভাব খাটিয়ে ঘটনা ধামাচাপার চেষ্টার অভিযোগ

  • প্রকাশিত সময় সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ৮৩ বার পড়েছেন

প্রতিনিধি:স্বরূপ বিশ্বাস যশোর।
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়–এর Environmental Science and Technology (EST) বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক হিন্দু ছাত্রীকে যৌন হয়রানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত শিক্ষক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিভাগীয় স্টাডি ট্যুর চলাকালে একই বিভাগের এক ছাত্রীকে তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত ও আপত্তিকর আচরণের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করেন। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ক্যাম্পাসজুড়ে চরম উদ্বেগ, ক্ষোভ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তবে অভিযোগ জমা দেওয়ার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর তদন্ত, জবাবদিহিতা কিংবা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। বরং অভিযোগ উঠেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী হওয়ায় একটি শক্তিশালী মহল ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

শিক্ষার্থীদের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষক অতীতে রাজনৈতিক সুপারিশের মাধ্যমে নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন এবং ক্ষমতাসীন একটি মতাদর্শিক গোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠ হওয়ায় প্রশাসনের একটি অংশ তার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে সাহস পাচ্ছে না। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যেও ব্যাপক ক্ষোভ বিরাজ করছে। তবে ভয় ও চাপের কারণে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, ভুক্তভোগী ছাত্রী হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্য এবং পারিবারিকভাবে অসহায় অবস্থায় আত্মীয়ের বাসায় থেকে পড়াশোনা করতেন। এই সুযোগকে কেন্দ্র করে তাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন, সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা, ধর্মীয় পরিচয়কে টার্গেট করে “ইসকন ট্যাগিং” এবং শিক্ষাজীবন নষ্ট করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এমনকি সার্টিফিকেট প্রদান আটকে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়েছে বলেও দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি সূত্র জানায়, ঘটনাটি নিয়ে ক্যাম্পাসে তীব্র আলোচনা থাকলেও প্রশাসনের নীরবতা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা ও নিরাপত্তাহীনতা আরও বাড়িয়ে তুলেছে। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন—যদি একটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেই নারী শিক্ষার্থীরা নিরাপদ না থাকে, তবে নিরাপদ পরিবেশ কোথায়? শিক্ষাঙ্গনের মর্যাদা ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা কোথায়?

সচেতন মহলের দাবি, অভিযোগের সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত নিশ্চিত করে দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে তার উপর যেকোনো ধরনের সামাজিক, রাজনৈতিক বা ধর্মীয় চাপ প্রয়োগ বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host