1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, গ্রাম্য চিকিৎসককে পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ  বিজিবি সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার যশোরে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে পুলিশের কাছ থেকে বিএনপি নেতাকে ছিনতাই! যশোরে বজ্রপাতে যুবকের মৃত্যু, আরও একজন আহত যশোরে গাঁজাসহ ব্লাকমেইল চক্রের দুই সদস্য ধরা, ভ্রাম্যমান আদালতের কারাদন্ড নদীর পাড়ে ফুল কুড়াতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার কিশোরী চলন্ত হাউজবোটের ইঞ্জিনে পড়ে টাঙ্গুয়ার হাওরে এসআইয়ের মেয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু যশোর বেনাপোলে যুবককে লক্ষ্য করে গুলি, অল্পের জন্য রক্ষা রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা: আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা চাইল রাষ্ট্রপক্ষ কুমিল্লা, নারায়ণগঞ্জ, গোপালগঞ্জ ও কুড়িগ্রামে দুর্ঘটনায় নিহত ছয়

সোহেলের পর গ্রেপ্তার স্বপ্না, রামিসা হত্যাকাণ্ডে নতুন মোড়

  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ২০ মে, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়েছেন

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী শিশু রামিসা আক্তারকে (৭) নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় সোহেল রানাকে (৩০) গ্রেপ্তাররের পর তার স্ত্রী স্বপ্নাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কাছ থেকে রামিসাকে হত্যার রোমহর্ষক ঘটনা জানতে পেরেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন নজরুল ইসলাম।

পুলিশ জানায়, জাকির হোসেন পেশায় রিকশা মেকানিক। তার বিরুদ্ধে নাটোরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। নিহত রামিসার পরিবার একই ভবনে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বসবাস করছেন।

অভিযুক্ত দম্পতি মাত্র দুই মাস আগে উল্টো দিকের ফ্ল্যাটে ভাড়া আসেন। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে পাঠানোর জন্য খুঁজতে গিয়ে তার মা ওই ফ্ল্যাটের দরজার সামনে তার স্যান্ডেল দেখতে পান।

সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার এস এন নজরুল ইসলাম জানান, রামিসার মা যখন দরজায় নক করছিলেন, তখন ভেতরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটানো হচ্ছিল। মূল আসামি জাকির যেন পালাতে পারেন, সেই সুযোগ করে দিতে স্ত্রী স্বপ্না দীর্ঘক্ষণ দরজা বন্ধ রাখেন।

জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যাওয়ার পর স্বপ্না দরজা খোলেন। তিনি  নিজে এই হত্যাকাণ্ডের সহযোগী হিসেবে কাজ করেছে।

তিনি আরো জানান, ধারণা করা হচ্ছে প্রতিবেশীর বিকৃত যৌনলালসার শিকার হয়েছিল শিশুটি। নির্যাতন বা রক্তক্ষরণের বিষয়টি জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়েই তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে আলামত গোপন ও মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে শিশুটির মাথা ও হাত কেটে ফেলা হয়েছিল।

তবে ধর্ষণের বিষয়টি ময়নাতদন্ত ও কেমিক্যাল রিপোর্টের পর পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ঘটনার পর পুলিশ স্বপ্নাকে ফ্ল্যাট থেকেই আটক করে। তবে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান জাকির। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ জানতে পারে, জাকির নারায়ণগঞ্জের একটি দোকানে তার বন্ধুর মাধ্যমে পাঠানো টাকা তুলতে গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় পুলিশ ও দোকানদারের সহায়তায় ডিএমপির টিম সেখানে অভিযান চালিয়ে বিকাশের দোকান থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর ওই ফ্ল্যাটের খাটের নিচ থেকে রামিসার মস্তকবিহীন দেহ এবং পরে বাথরুম থেকে খণ্ডিত মাথা উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত রামিসা স্থানীয় পপুলার স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ ঘটনায় পল্লবী থানায় একটি চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host