1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
ভারতীয় ভিসার নামে ভুয়া কল ও বার্তা: প্রার্থীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) নতুন মহাপরিচালক হলেন কাজী জেসিন সেপ্টেম্বর থেকে রাজপথে ১১ দল: ৪ বিভাগে লংমার্চ শেষে ১৪ নভেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশ প্রয়োজনে সরকার পতনের আন্দোলনের ঘোষণা আসবে’: হুঙ্কার জামায়াত আমিরের এক মাসে পাগলা কুকুরের কামড়ে আহত ৩ শতাধিক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইমাম গ্রেপ্তার, আদালতে দাঁড়ায়নি কেউ রাজধানীতে কালভার্টের নিচ থেকে তরুণীর বিচ্ছিন্ন মাথা ও হাত উদ্ধার বোরকাপরা নারীর ইশারায় থামে বাস, ২০ মিনিটে ৫৭ লাখ টাকা লুট আজ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী ব্যাংকের টাকার জন্য বাবাকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যার রোমহর্ষক তথ্য

সাতক্ষীরায় মোদীর দেওয়া ৩০ ভরির মুকুট চুরি, ১৮ মাস পর চার্জশিট

  • প্রকাশিত সময় শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়েছেন

সনাতনী নিউজ ডেস্ক

সাতক্ষীরার শ্যামনগরের ঐতিহাসিক যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর উপহার দেওয়া মুকুট চুরির ঘটনায় প্রায় ১৮ মাস পর আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ তদন্তের পরও আলোচিত সেই মুকুট উদ্ধার হয়নি এবং শনাক্ত করা যায়নি চুরির মূল অভিযুক্তকে।

গত ১৭ মার্চ মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করা হলেও তা ২১ এপ্রিল অনলাইনে নথিভুক্ত হয়। আগামী ১০ জুন আদালতে এই অভিযোগপত্র উপস্থাপনের দিন ধার্য করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপপরিদর্শক মাসুদ পারভেজ দুইজনের বিরুদ্ধে এই চার্জশিট দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে অভিযুক্ত করা হয়েছে শ্যামনগরের ঈশ্বরীপুর গ্রামের রেখা সরকার (৪০) এবং ঢাকার কদমতলীর সম্রাট ফারুখ মাওলাকে (৪২)। তবে অপরাধের প্রমাণ না পাওয়ায় সম্রাটের বাবা শেখ শফি মাহমুদসহ কয়েকজনকে অভিযোগপত্র থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালে শ্যামনগর সফরকালে নরেন্দ্র মোদী যশোরেশ্বরী কালীমন্দিরে পূজা দেন এবং প্রতিমার মাথায় একটি মুকুট উপহার হিসেবে পরিয়ে দেন। ২০২৪ সালের ১০ অক্টোবর দুপুরে মন্দিরের সিসিটিভি ফুটেজে এক যুবককে মুকুটটি নিয়ে যেতে দেখা যায়। তদন্তে ওই যুবকের নাম ‘আল আমিন ওরফে স্বপন’ বলে জানা গেলেও এখন পর্যন্ত তাকে নিশ্চিতভাবে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার পর মন্দির কমিটির পক্ষে জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায় বাদি হয়ে শ্যামনগর থানায় মামলা করেন। তদন্ত চলাকালে পরিচ্ছন্নতাকর্মী রেখা সরকার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জানান, দুই লাখ টাকার প্রলোভনে তিনি মন্দিরের তালা খুলে রেখে চুরিতে সহায়তা করেন। পরে ঢাকার রামপুরা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া সম্রাট ফারুখ মাওলাও আদালতে চুরিতে সম্পৃক্ততার বিষয়ে জবানবন্দি দেন।

মামলার বাদি জ্যোতি প্রকাশ চট্টোপাধ্যায় দাবি করেন, চুরি হওয়া মুকুটটির ওজন ছিল প্রায় ৩০ ভরি। এটি রূপার ওপর সোনার প্রলেপ দেওয়া ছিলো, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় এক লাখ টাকা। তবে মুকুটটি আসলে সোনা নাকি রূপার—এ নিয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকায় স্থানীয়ভাবে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এদিকে দীর্ঘ সময় পার হলেও মূল অভিযুক্ত গ্রেপ্তার এবং মুকুট উদ্ধার না হওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ শ্যামনগর শাখার সদস্য সচিব উৎপল মণ্ডল বলেন, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চুরির ঘটনায় মূল আসামি ধরা না পড়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক।

বাংলাদেশ সনাতন পার্টির জেলা সদস্য সচিব মনোদ্বীপ কুমার মণ্ডল দ্রুত রহস্য উদঘাটনের আহবান জানিয়েছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host