1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
বাবার লাশ বাড়িতে রেখে এইচএসসি পরীক্ষা দিলেন মেয়ে বদলি আবেদনের জন্য আইডি-পাসওয়ার্ড পাচ্ছেন শিক্ষকরা চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন একাধিক সহযোগী সহ যশোর ঝিকরগাছা থেকে এই গ্রেফতার। ফ্রিতে ভেরিফায়েড ব্যাজ দিচ্ছে ফেসবুক, পাবেন যেভাবে যশোরে একান্ত মুহূর্তের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এবং মারধরের অভিযোগে মামলা প্রক্টরের মুখে ভিন্ন বার্তা! ছাত্রলীগকে গোপনে পড়াশোনা চালানোর পরামর্শে সরগরম ক্যাম্পাস যশোরে মাদকের ব্যবসায় সাহায্য না করায় যুবককে কুপিয়ে জখম ২১ শিক্ষার্থীর মৃত্যু শোকের মাঝে ফুলমালা! বিজেপি ও ধর্মেন্দ্র প্রধানকে তীব্র আক্রমণ কংগ্রেস নেতার যুক্তরাষ্ট্রে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন বাংলাদেশি মেধাবী চিকিৎসক ডা. অদিতি সাহা গৃহবধূকে ডেকে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে আটক ৩

আবু সাঈদ হত্যা ২ পুলিশের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

  • প্রকাশিত সময় বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৪০ বার পড়েছেন

রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ২৭ জানুয়ারি মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছিল। এরপর গত ৫ মার্চ রায়ের দিন ঠিক করেছিল ট্রাইব্যুনাল।

কৌঁসুলি এস এম ময়নুল করিম জানান, এ মামলায় প্রসিকিউশনের পক্ষে মোট ২৫ জনের জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে প্রত্যক্ষদর্শী, বিশেষজ্ঞ, সাংবাদিক, চিকিৎসক এবং পুলিশ সদস্য রয়েছেন।

আবু সাঈদের সঙ্গে গুলিবিদ্ধ হওয়া ব্যক্তিরা এবং পটভূমির সাক্ষী হিসেবে বর্তমান সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ আদালতে সাক্ষ্য দেন। এছাড়া ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ভিডিও ও টেলিভিশনের লাইভ সম্প্রচারের ভিডিও প্রমাণ হিসেবে দাখিল করা হয়।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে এএসআই আমির হোসেন, কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায় এবং আনোয়ার পারভেজ আপেলের পক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু তাদের বেকসুর খালাস চান।

তিনি বলেন, ‘আবু সাঈদের শরীরে গুলির কোনো অস্তিত্ব রেডিওগ্রাফিক বা এক্স-রে পরীক্ষায় পাওয়া যায়নি। তদন্তকারী কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন যে, তার গলা থেকে কোমর পর্যন্ত পরিহিত কালো টি-শার্টের জব্দকৃত অংশে কোনো ছিদ্র ছিল না। ফলে গুলির কারণে তার মৃত্যু হয়েছে এমনটা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি।’

ছয়জন পুলিশ সদস্যের লাঠিচার্জ করার কথা বলা হলেও অভিযোগপত্রে মাত্র একজনকে আসামি করায় তদন্ত প্রতিবেদনটি ত্রুটিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেন এই আইনজীবী।

আইনজীবী দুলু বলেন, আবু সাঈদের হাতে একটি লাঠি ছিল এবং তিনি সেটি দিয়ে পুলিশের লাঠির আঘাত ঠেকানোর চেষ্টা করেছিলেন—যা তদন্তকারী কর্মকর্তা জেরায় স্বীকার করেছেন।

ফৌজদারি আইন অনুযায়ী লাঠিও একটি ‘অস্ত্র’ হিসেবে গণ্য হয়, সে কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “তাকে (আবু সাঈদ) ‘নিরস্ত্র ও শান্তিপূর্ণ সিভিলিয়ান’ হিসেবে ধরে মামলাটি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের মধ্যে আনা আইনগতভাবে কতটা যৌক্তিক—সেটি আদালতের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে। তবে আবু সাঈদ একজন বীরত্বগাথা সম্পন্ন আন্দোলনকারী ছিলেন এবং রাষ্ট্রও তার সেই বীরত্বকে স্বীকৃতি দিয়েছে—এ বিষয়ে আমার কোনো দ্বিমত নেই।”

এ মামলায় মোট ৩০ জন আসামি রয়েছেন। এর মধ্যে ২৪ জন পলাতক এবং ছয়জন গ্রেপ্তার অবস্থায় কারাগারে আছেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host