রাঙামাটির লংগদু উপজেলায় একটি বয়স্ক পুরুষ বন্য হাতির মৃত্যুর পর তার দেহ টানা দুই দিন ধরে তার সঙ্গী স্ত্রী হাতিটি আগলে রেখে সেখানেই অবস্থান করছিল। এ সময় অনেক উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় জমিয়ে হাতিটিকে উত্তেজিত করার চেষ্টা করে বলেও জানা গিয়েছে।রাতে ময়নাতদন্তের আগেই অন্ধকারে দুর্বৃত্তরা মৃত হাতিটির শুঁড় এবং পেছনের একটি পা কেটে চুরি করে নিয়ে গিয়েছে । এদিকে, মারা যাওয়ার ৪৮ ঘণ্টা পার হলেও দুর্গম পথ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে এখনও প্রাণীটির ময়নাতদন্ত করা সম্ভব হয়ে উঠেনি। মৃত বন্যহাতির শুঁড় ও পা কেটে নেওয়ার ঘটনাটি গভীরভাবে উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয় অপরাধ । একটি প্রাণ মৃত্যুর পরও যে এমন নিষ্ঠুরতার শিকার হতে পারে, তা আমাদের মানবিকতা ও নৈতিকতার জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক।
বন্যহাতি আমাদের দেশের গুরুত্বপূর্ণ বন্যপ্রাণী, যা আমাদের বনজ বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষায় অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। মৃত প্রাণীর দেহ বিকৃত করা শুধু নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য ব্যাপার নয়, বরং এটি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনেরও সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
বাংলাদেশের পশু প্রেমিরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। এরই সাথে অতি দ্রুত জড়িতদের সনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানাচ্ছে।
Leave a Reply