1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
ফেসবুক লাইভে এসে চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীরকে ঘিরে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অবস্থান স্পষ্ট করবেন বলে জানালেন বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের প্রতিষ্ঠা কালীন সদস্য প্রসেনজিৎ কুমার হালদার শরীয়তপুরে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে মারধরের অভিযোগ, উত্তেজনা ও বিক্ষোভ ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা গৃহকর্মী কিশোরী, গর্ভপাতের পর ৬ মাসের বাচ্চাকে নদীতে নিক্ষেপ নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানের সুযোগ এসেছে: প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ৩১০ বোতল ভারতীয় উইনিক্স সিরাপ উদ্ধার যশোরে কোটি টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক ১ কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, আহত ১০ প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট করে পদ হারানো এনসিপি নেতা গ্রেপ্তার ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’: ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সমলিঙ্গের বিয়ের ঘটনায় শাস্তির দাবি

ফরিদপুরে কোদাল দিয়ে কুপিয়ে দুই নারীসহ ৩ জনকে হত্যা

  • প্রকাশিত সময় মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৩২ বার পড়েছেন

ফরিদপুর সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নে এক যুবকের বিরুদ্ধে নিজের দাদি–ফুফুসহ তিনজনকে কোদাল দিয়ে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯টার দিকে ইউনিয়নের গদাধরডাঙ্গী গ্রামের খুশির বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনায় অভিযুক্ত আকাশ মোল্লা (৪০) গদাধরডাঙ্গী গ্রামের বাসিন্দা। নিহতরা হলেন- আকাশ মোল্লার দাদি আমেনা বেগম (৭৫), ফুফু সালেহা বেগম (৫৫) ও প্রতিবেশী কাবুল চৌধুরী (৪৯)।

কাবুল চৌধুরী ওই গ্রামের সুলতান আহমেদের ছেলে। তিনি পেশায় রিকশাচালক। তার স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হঠাৎ করে আকাশ মোল্যা নামের ওই যুবক কোদাল হাতে উপস্থিত হয়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই কোদাল দিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে দাদি ও ফুফুকে হত্যা করে। এ সময় ঠেকাতে এলে প্রতিবেশী কাবুল চৌধুরীকেও হত্যা করেন। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে রক্তাক্ত মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন।

এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দুইজন। তারা হলেন- রিয়াজুল ইসলাম (৩৮) ও আরজিনা বেগম (৩৮)। স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেছেন।

ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য (ইউপি) রাজ্জাক শেখ বলেন, ‘আকাশ একসময় ফরিদপুর যক্ষ্মা হাসপাতালে পিয়ন পদে কর্মরত ছিল। সে মানসিকভাবে অস্থির প্রকৃতির। এজন্য তাকে বিয়েও দেওয়া হয়নি।’

হত্যাকাণ্ডের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলেই তিনজনের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেছি। হত্যাকাণ্ডের কারণ জানতে আমাদের টিম কাজ করছে।’

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host