1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
এবার ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের বেনাপোল সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় মদসহ আটক ১ সীতাকুণ্ডে মহাসড়কের পাশে দাঁড়ানো বাসের যাত্রীদের চাপা দিল লরি, নিহত ৫ আদালতের আদেশে নিজ জিম্মায় তরুণী, গাড়িতে তুলতে টানাটানি পরিবারের লক্ষ্মীপুরে মাদকবিরোধের জেরে যুবক খুন ‘বাঁচাও বাঁচাও’ আকুতির পরই নিথর দেহ, বরিশালে মনির ফকিরের মৃত্যুকে ঘিরে রহস্য ঘুস না পেয়ে থানার মধ্যেই আসামির ভাইকে মারধরের অভিযোগ ভিক্ষা করে ছেলের চিকিৎসা করাইছি, এখন খোঁজও নেয় না : হাফেজ তাশরীফের বাবা পীরগঞ্জে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ৩ হিন্দু বাড়িতে হামলা-লুটপাটের অভিযোগ খুলনায় দোকানে বসে থাকা মুদি ব্যবসায়ীকে গুলি, আহত ২

“গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ ব্যক্তি কোন ধর্মের, তা কেউ জানতে চায়নি”: প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশিত সময় সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১২ বার পড়েছেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ মানুষটি মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ নাকি খ্রিষ্টান, তা কেউ জিজ্ঞেস করেনি। মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন, কোনো ক্ষেত্রেই ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা করা হয়নি।

মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জে এম সেন হলের দুর্গাপূজা মণ্ডপে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘দেশের নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার সমান। সংখ্যাগুরু কিংবা সংখ্যালঘু নয়, আমাদের সবার পরিচয় বাংলাদেশি। মুক্তিযুদ্ধের সময় লাখো মানুষ ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনা না করে দেশের স্বাধীনতার জন্য লড়াই করেছেন। স্বাধীনতার পর গণতন্ত্র, কথা বলার অধিকার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও সহযোদ্ধাদের ধর্মীয় পরিচয় দেখা হয়নি।’
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বেশিদিন আগের কথা না, দুই থেকে সোয়া দুই বছর আগের কথা। ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাস। এই দেশের মানুষ, এই দেশের ছাত্র-জনতা এক স্বৈরাচারকে বিদায় করেছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ সমগ্র বাংলাদেশে সেদিন রাজপথে বেরিয়ে এসেছিলেন। কেউ কিন্তু আমরা জিজ্ঞেস করিনি গুলি খাওয়া মানুষটি কি মুসলমান নাকি হিন্দু নাকি বৌদ্ধ নাকি খ্রিষ্টান। স্বৈরাচার গুলি করেছে, ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিল। আমার ভাই শহীদ হয়েছে, আমার ভাই আহত হয়েছে।’
সরকারপ্রধান বলেন, ‘এই দেশ আপনার, এই দেশ আমার, এই দেশ আমাদের সবার। আমরা মুসলমান হই, আমরা হিন্দু হই, আমরা বৌদ্ধ হই, খ্রিষ্টান হই যেই হই কেন, ধর্ম আমাদের নিজস্ব বিষয়। কিন্তু আমরা প্রত্যেকটি মানুষ এই বাংলাদেশি আমরা।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের একমাত্র পরিচয় ধর্মের পরিচয় নয়, আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশের নাগরিক।’
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘এই দেশের আইন আমার জন্য যেভাবে প্রযোজ্য, এই দেশের আইন আপনার জন্যও প্রযোজ্য। এই দেশের উপরে আপনার যে অধিকার আছে, এই দেশের উপরে আমারও এই অধিকার আছে। এই রাষ্ট্র আপনাকে যা দেবে, এই রাষ্ট্র আমাকেও তাই দেবে।’

মুক্তিযুদ্ধ, গণতন্ত্র রক্ষার আন্দোলন ও জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল শান্তিপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়া উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আসুন না আমরা সবাই মিলে সেই বাংলাদেশটি, প্রত্যাশিত বাংলাদেশটি গড়ে তুলি, যেই বাংলাদেশের জন্য দল, মত, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে বিভিন্ন সময়ে অকাতরে আমরা বুকের রক্ত ঢেলে দিয়েছি।’

কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষের সহযোগিতা চেয়ে তিনি বলেন, ‘আপনি হিন্দু হোন, আপনি মুসলমান হোন, আপনি বৌদ্ধ হোন, খ্রিষ্টান হোন, যাই হোন না কেন আপনার সহযোগিতা আমার দরকার, কারণ আপনার সহযোগিতা ছাড়া আমরা সেই কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব না।’

জে এম সেন হলের অনুষ্ঠান শেষে নগরের রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ হোটেলে বিএনপির সাংগঠনিক সভায় যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী। সভায় চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা বিএনপির নেতাদের পাশাপাশি সংসদ সদস্য, কেন্দ্রীয় নেতা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের অংশ নেন।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host