1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৫ অপরাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ সেপটিক ট্যাংকের ভেতরে নেমে রাজমিস্ত্রির মৃত্যু, সহযোগী হাসপাতালে সৌরবিদ্যুতে চলছে ২ হাজার শিক্ষার্থীর স্কুল, বিল ৩০ হাজার থেকে নেমে ৫ হাজারে সঞ্চয়পত্রে ভোগান্তি কমাতে আজ থেকে নতুন ব্যবস্থা ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টে ককটেল বিস্ফোরণ পাকা মাঠে মাটি ভরাট! বাউফলে ৩১৮ প্রকল্পের প্রায় চার কোটি টাকা লুটপাট ডিআইজিসহ ছয় পুলিশ কর্মকর্তাকে অব্যাহতি, পুনঃতদন্তের নির্দেশ মারা গেলেন নির্মাতা মারুফ হোসেন সজীব হাসপাতালে অগ্নিকান্ড, হুড়োহুড়িতে পদদলিত হয়ে নিহত শাহজাহানের বাড়িতে শোকের মাতম বাহুবলে মাদক সেবন ও হট্টগোলের দায়ে ইছব আলীর ৭ মাসের কারাদণ্ড

রুমে স্বামীর লাশ, সন্তান রক্তাক্ত— পাশেই খাটে শুয়ে মোবাইল দেখছিলেন স্ত্রী!

  • প্রকাশিত সময় শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬
  • ৩০ বার পড়েছেন

ভারতের কর্ণাটকের ধারওয়াদ শহরে এক হৃদয়বিদারক ও লোমহর্ষক ঘটনায় পুলিশের চক্ষু চড়কগাছ হয়েছে। শহরের একটি আবাসন থেকে অ্যানেসথেটিস্ট চিকিৎসক ড. কিরণ হোনান্নাভারের রক্তভেজা মরদেহ উদ্ধারের সময় পুলিশ দেখে, পাশে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে আছে তাদের আট বছরের শিশুপুত্র, আর ঠিক তার পাশেই খাটে শুয়ে নির্বিকার ভঙ্গিতে মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন নিহত ব্যক্তির স্ত্রী ড. প্রিয়ঙ্কা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ধারওয়াদের কর্ণাটক ইউনিভার্সিটি রোড এলাকার ‘রাঙ্কা স্টেলো’ অ্যাপার্টমেন্টের বাসিন্দা ছিলেন এই চিকিৎসক দম্পতি। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে স্বজনরা কিরণের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে শঙ্কা প্রকাশ করেন। এ সময় স্ত্রী প্রিয়ঙ্কা একেকবার একেক ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছিলেন। অবশেষে বুধবার সন্ধ্যায় স্বজনরা ফ্ল্যাটে গিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন এবং ওই গা শিউরে ওঠা দৃশ্যের মুখোমুখি হন।

পুলিশ কমিশনার এন শশিকুমার জানিয়েছেন, তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখেন ড. কিরণের গলায় মারাত্মক জখমের চিহ্ন এবং তিনি তোশকের ওপর রক্তের মধ্যে পড়ে আছেন। পাশে থাকা শিশুপুত্রটিকেও রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শিশুটি অটিজমে আক্রান্ত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনার সময় ফ্ল্যাটের ভেতরে কেবল স্বামী, স্ত্রী ও তাদের সন্তানই ছিলেন এবং সেখানে কোনো বহিরাগত প্রবেশের প্রমাণ নেই। ঘটনার পর থেকে স্ত্রী ড. প্রিয়ঙ্কার আচরণ অত্যন্ত রহস্যজনক ও অসংলগ্ন। চরম মানসিক ধাক্কায় নাকি অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তিনি এমন নির্বিকার ছিলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এ ঘটনায় ইতিমধ্যেই একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ড. প্রিয়ঙ্কাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। কেন একজন চিকিৎসক মা ও স্ত্রী এমন পাশবিক কর্মকাণ্ডের পরও অবিচল থাকতে পারেন, তা এখন তদন্তকারীদের জন্য বড় রহস্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host