বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারের পুনর্বাসন এবং যাদের ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের জন্য সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
সোমবার দুপুরে চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার সবচেয়ে দুর্গম ও বন্যাকবলিত কেঁওচিয়া ইউনিয়নের কেঁওচিয়া ও ধর্মপুর এলাকায় বন্যার্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে তিনি এ আশ্বাস দেন। কেঁওচিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়া বন্যাদুর্গতদের সঙ্গে কথা বলে তাদের খোঁজখবর নেন এবং সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রত্যেক পরিবারকে পুনর্বাসনের আওতায় আনা হবে এবং যাদের ঘরবাড়ি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের ঘর নির্মাণে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হবে। তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে বলেন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকার ও প্রশাসনের সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
দুর্গম এলাকায় পৌঁছাতে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে স্পিডবোটে দীর্ঘ জলপথ অতিক্রম করে প্রতিমন্ত্রী কেঁওচিয়া ইউনিয়নে যান। সেখানে তিনি ত্রাণসামগ্রী বিতরণের পাশাপাশি বন্যাদুর্গত মানুষের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পরে তিনি সাতকানিয়া উপজেলার বাজিতপুর এলাকায় গিয়ে আরও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় তিনি বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরি করে পুনর্বাসন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।
ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, সেনাবাহিনীর সদস্য, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বন্যাকবলিত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।
Leave a Reply