1. admin@sanataninews24.com : admin :
       
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদের শিরোনাম
ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারও সবার: রাষ্ট্রপতি বিএনপি ক্ষমতায় থাকায় হিন্দুরা সুন্দরভাবে উৎসব পালন করতে পারছে: মীর সপু ভিক্ষার অভিযোগে সৌদি আরবে বাংলাদেশি ও ভারতীয় ৪ প্রবাসী গ্রেপ্তার চট্টগ্রামে দুর্গাপূজা চলাকালে হিন্দু শিক্ষক দোলনচন্দ্র প্রেমের ফ্ল্যাটে চুরি; সোনা ও রুপো চুরি। সরকারি বরাদ্দের ২০ শতাংশ নেতার পেটে সিদ্ধিরগঞ্জে মন্দিরে ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ, প্রতিবাদে প্রতিমা বিসর্জন না দেওয়ার ঘোষণা গাজীপুরে মন্দিরে সিজদা করে কুরআনে আগুন, যুবক আটক অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে ডিবির অভিযান, আটক ৮৪ অটোভ্যান ছিনতাইয়ের পর কিশোরকে হত্যা, মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার ২ পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে আজ তিন বিভাগ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

সরকারি বরাদ্দের ২০ শতাংশ নেতার পেটে

  • প্রকাশিত সময় বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২০ বার পড়েছেন

বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলায় প্রতিটি মন্দিরকে সরকারি ৬০০ কেজি চাল এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসানের পক্ষ থেকে ১ হাজার ৫০০ কেজি চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, মন্দিরপ্রতি ২ হাজার ১০০ কেজি চালের বরাদ্দপত্র নিয়ে গেছেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সুভাষ দাস। তিনি চাল বিক্রি বাবদ ৮৮ হাজার ২০০ টাকার স্থলে মন্দির কমিটিগুলোকে ৬৯ হাজার টাকা করে দিয়েছেন। অর্থাৎ তিনি প্রতিটি মন্দিরের বরাদ্দ থেকে ১৯ হাজার ২০০ টাকা বা ২০ শতাংশেরও বেশি হাতিয়ে নিয়েছেন।

উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে গত বুধবার মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা ২৩টি মন্দিরের বরাদ্দপত্র হস্তান্তর এবং প্রতিমন্ত্রীর নগদ ৫ হাজার টাকা বিতরণের অনুষ্ঠান করা হয়।

বিভিন্ন মন্দির কমিটির সূত্রে জানা গেছে, তাঁরা শুধু নগদ টাকা পেয়েছেন। ২ হাজার ১০০ কেজি চালের বাবদ বরাদ্দপত্র দেওয়া হয়েছে সুভাস দাসকে। পরে তিনি উপজেলার পাতারহাট বন্দরের বেকারি পট্টির ফলের দোকানে বসে প্রতিটি পূজা কমিটির নেতার হাতে ৬৯ হাজার টাকা দেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সুভাষ গত বুধবার উপজেলা পরিষদে বরাদ্দ বণ্টন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বরাদ্দপত্র হাতিয়ে নেন। চালের আড়তদার সূত্রে জানা গেছে, বরাদ্দের চাল ৪২ টাকা কেজি দরে মোট ৮৮ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করা হয়েছে।

মদন মোহন মন্দির পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি সুমিত কুমার দাস বলেন, ‘আমরা নিরিবিলি থাকতে চাই। কম-বেশি পেলে তা মন্দির পাবে। এ নিয়ে আর কাদা-ছোড়াছুড়ি করতে চাই না।’

জানতে চাইলে সুভাষ দাস বলেন, ২৯৩টি মন্দিরের কর্তৃপক্ষকে চাল নিতে বলা হয়েছে, কিন্তু তারা নেয়নি। যে কারণে টাকা দেওয়া হয়েছে। তাঁর দাবি, ৪ থেকে ৫ জন চাল ক্রেতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই করে ৩৩ টাকা দরে চাল বিক্রি করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, প্রতিটি মন্দির পাবে ৬৯ হাজার ৩০০ টাকা। তাদের দেওয়া হয়েছে ৬৯ হাজার টাকা। তিনি কেন এই বরাদ্দের চাল বণ্টন করেছেন জানতে চাইলে সুভাষ বলেন, ‘দলীয় লোক। এ জন্য আমরা সহযোগিতা করেছি মাত্র।’

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী তৌফিকুর রহমান বিপ্লব বলেছেন, তাঁরা কোনো নেতাকে বরাদ্দপত্র দেননি। মন্দির কমিটির হাতে দিয়েছেন।

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক গিয়াস উদ্দিন দিপেন বলেন, এটি (বরাদ্দপত্র) যে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টকে দেওয়া হয়েছে এবং তারা বণ্টন করেছে, তা তাঁর জানা নেই।

পোস্টটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই জাতীয় খরব আরো পড়ুন
© All rights reserved © 2026 Sanatani Research & IT Limited
Designed By Barishal Host